সালথায় ভাঙচুরের ঘটনায় হেফাজতের কোন সম্পৃক্ততা নেই: হেফাজত আমির ফরিদপুর- জনকল্যাণ২৪

প্রকাশিত: ৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০২১

সালথায় ভাঙচুরের ঘটনায় হেফাজতের কোন সম্পৃক্ততা নেই: হেফাজত আমির ফরিদপুর- জনকল্যাণ২৪

জনকল্যাণ:-গত ৫ এপ্রিল ফরিদপুরের সালথায় বিক্ষুব্ধ জনতার হামলার ঘটনায় জেলা হেফাজতের কোনই সম্পৃক্ততা নেই বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজত ইসলাম-ফরিদপুরের আমির মাওলানা আকরাম আলি। একইসঙ্গে গত ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এসে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব আব্দুর রহমান ঘটনার সঙ্গে হেফাজতকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তারও নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

 

শনিবার (১০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলার সর্বজনশ্রদ্ধেয় ও বরেণ্য আলেম মাওলানা আকরাম আলি বলেন, সরকারি অফিস ভাঙচুরে হেফাজতের কোনই সম্পৃক্ততা নেই; বরং আমরা এই ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।

মাওলানা আকরাম আলির পুত্র ও জামিয়া ইসলামিয়া আজিজিয়া বাহিরদিয়ার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা ইমরান হুসাইনের পাঠানো বিবৃতিটি তুলে ধরা হলো:-

আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, গত ৫ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় সালথা উপজেলা সদরে বিক্ষুব্ধ জনতার থানা ঘেরাও এবং তারপর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের যেই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে গেছে যা মোটেও কাম্য ছিল না। আমরা এর তীব্র নিন্দা এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।

কিন্তু গত ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ফরিদপুরের সালথায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এসে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব আব্দুর রহমান ফরিদপুর জেলা হেফাজতে ইসলামের আমির ও ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া আজিজিয়া বাহিরদিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আকরাম আলী সাহেবকে জড়িয়ে যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি যে, সম্প্রতি সালথায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে মাওলানা আকরাম আলী সাহেব কিংবা সম্হেপৃক্ফাততাজতে ইসলাম ফরিদপুরের কোন সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আমরা প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সাংবাদিক ভাইদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

এখানে উল্লেখ করতে চাই যে, এটা সকল গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে যে, সালথার ফুকরা বাজারে একজন সরকারী কর্মকর্তার নেতৃত্বে লকডাউন কার্যকর করার অভিযানকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সূত্রপাত।

সেখানে উপস্থিত জনতা তাৎক্ষণিক ওই কর্মকর্তাকে ধাওয়া করে সেখান হতে উপজেলা সদরে এসে থানা ঘেরাও করে। তারপর আশেপাশের গ্রামের আরো হাজার হাজার লোকজন তাদের সাথে যোগ দেয়।

 

এই সকল লোকদের কারা কিভাবে উস্কে দিলো সেটি খতিয়ে দেখা জরুরি। কিন্তু ঘটনার সঠিক তদন্তের আগেই এভাবে হেফাজতের নেতৃস্থানীয় আলেমকে জড়িয়ে মিথ্যাচার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ