আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক লিখিত ‘মাকামে সাহাবা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন- জনকল্যাণ২৪

প্রকাশিত: ২:১৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০২১

আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক লিখিত ‘মাকামে সাহাবা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন- জনকল্যাণ২৪

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর সহসভাপতি ও রাহবারে মিল্লাত আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী (রাহ.) প্রতিষ্ঠিত জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক লিখিত ‘মাকামে সাহাবা’ গ্রন্থের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় মোড়ক উন্মোচনে উপস্থিত ছিলেন- শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহাদ্দিস মাওলানা হিদায়াতুল্লাহ, মাওলানা হাবীবুল্লাহ মাহমূদ কাসেমী, মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী ও উম্মাহ সম্পাদক মুনির আহমদ প্রমুখ।

 

মাকামে সাহাবা গ্রন্থটি সিলেটের শায়খুল হিন্দ একাডেমী প্রকাশ করেছে। ১৭৬ পৃষ্ঠায় ঝকঝকে অফসেট পেপারে ছাপা বইটির মুদ্রিত মূল্য দুইশত পঞ্চাশ টাকা মাত্র। তবে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, গ্রন্থটির বিষয়বস্তু ও বহুল প্রচারের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তারা আকর্ষনীয় কমিশনে বইটি বিক্রি করছে। বইটি ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের স্বনামধন্য লাইব্রেরী সমূহে পাওয়া যাচ্ছে।

 

বইটি সম্পাদনার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার শিক্ষক মাওলানা মাহফুজুর রহমান। তিনি ‘মাকামে সাহাবা’ বইটি সম্পর্কে বলেন, সাহাবায়ে কেরাম সরাসরি আল্লাহর রাসূল (সা.)এর শিষ্য ও তাঁর হাতেগড়া পরশ পাথর। তাঁরা সাহাবা হিসেবে আল্লাহকর্তৃক মনোনীত ও বাছাইকৃত। রাসূলুল্লাহ (সা.)এর প্রতিটি কাজের সঙ্গী ছিলেন। দেখেছেন অহী অবতীর্ণ হতে। পবিত্র কুরআন ও এবং হাদীসে রাসূলের প্রথম মুখাতাব তথা সম্বোধিত ব্যক্তি ছিলেন তাঁরা। সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন ইসলামের জন্য।

 

সাহাবায়ে কেরামের পরিচিতি বর্ণনা করে মাওলানা মাহফুজুর রহমান আরো বলেন, নবী রাসূলের পরে তাঁরাই হলেন শ্রেষ্ঠ মানুষ। তাঁদের প্রশংসায় পবিত্র কুরআনে অসংখ্য আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। রাসূল (সা.)এর নির্দেশ অনুসারে সকল সাহাবী সমালোচনার ঊর্ধ্বে। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সর্বক্ষেত্রে সববিষয়ে তাঁরাই হলেন আদর্শ ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। এসব বিষয়েরই তাত্ত্বিক ও তথ্যগত বিশ্লেষণ ‘মাকামে সাহাবা’ গ্রন্থে অত্যন্ত চমৎকারভাবে সবিস্তার তুলে ধরেছেন লেখক আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব হুজুর । উপরন্তু পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে সাহাবায়ে কেরামের পরিচয় লাভের এক দিগন্ত উন্মোচন করেছে আলোচ্য পুস্তিকাটি।

 

মাওলানা মাহফুজুর রহমান বলেন, কয়েকজন সাহাবী (রাযি.) থেকে এক আধটু স্খলন ও বিচ্যুতি হয়েছে। এর রহস্য কি ছিল? সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে পরস্পর দ্বন্দ্ব-সংঘাত হয়েছে। কী হিকমাত ছিল এর নেপথ্যে? এসব বিষয়েও লেখক শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব হুজুর অত্যন্ত সাবলীল ও তথ্যভিত্তিক তুলে ধরেছেন বইটিতে। সাহাবায়ে কেরামের শান ও মান বুঝতে হলে বইটি অনেক উপকারি সংগ্রহ হবে বলে আমি মনে করি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ