ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-জনকল্যাণ২৪

প্রকাশিত: ৭:১৩ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৭, ২০২০

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-জনকল্যাণ২৪

সিলেটের এমসি কলেজের ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সব আসামিদেরও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখনই কোনো সংবাদ পাচ্ছে, দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। সিলেটের এমসি কলেজের ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সব আসামি গ্রেফতার হয়েছে। তাদেরও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে আশা করছি। যেখানেই ঘটনা ঘটুক, আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা বসে থাকিনি।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ হিসেবে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বর্বরতার চরম সীমায় পৌঁছেছে তারা। আইন অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ রকম মানুষ সমাজবিরোধী, এরা অমানুষ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীতে একজন মায়ের ওপর যে বর্বরোচিত ও পৈশাচিক ঘটনা ঘটিয়ে সেটার ভিডিও করে প্রচার করেছে, এটা বর্বরতার চরম সীমা। অভিযুক্তদের দুইজন ছাড়া সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। আশা করছি, আদালত এ অমানুষগুলোর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবেন।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, এমসি কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান, কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, অর্জুন লস্কর, বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল এবং তারেক আহমদ। মামলার অপর তিন আসামি অজ্ঞাত।

ওই ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) গ্রেফতার ৬ আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক হিমাংশু লাল রায় বলেন, আসামিদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে।

যাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তারা হলেন- মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, রাজন মিয়া এবং আইনুদ্দিন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ