মেঘনার পানি বাড়ায় ভোগান্তিতে ভোলাবাসী – জনকল্যাণ২৪

প্রকাশিত: ৭:৫২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৬, ২০২০

মেঘনার পানি বাড়ায় ভোগান্তিতে ভোলাবাসী – জনকল্যাণ২৪

মাহদী জাকির :: গতকাল হঠাৎ করে মেঘনার পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পায়ওয়াই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভোলার উপকূলে থাকা জনগণের ।

 

কোন পূর্ব প্রস্তুতি না থাকার ফলে ভেরীবাধের বাইরে বসবাসরত মানুষ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়।

রান্না করার চুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারের মানুষ দুপুরের ভাতও রান্না করতে পারেনি। উত্তাল মেঘনার একের পর এক ঢেউয়ের আঘাতে হাকিমুদ্দিন থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত বহু ঘর ভাসিয়ে নিয়েছে মেঘনা।

 

বেশ কিছু স্থান দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে শহর রক্ষা বাধ ,এমনটাই জানিয়েছেন ভোলা 2 ( বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলী আজম মুকল। তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে একথা জানিয়েছেন  ।

 

তিনি আরো বলেন সাধারন মমানুষের এই দুঃসময়ে আমি ছুটে গেছি হাকিমুদ্দিন থেকে সৈয়দপুর পর্যন্ত। তখন রাত সাড়ে ১০ টা, যখন বড় মানিকা হয়ে সৈয়দপুরে পৌছি। সচক্ষে অবলোকন করেছি মানুষের দূর্দশা।

 

আজ আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য সাহায্য সহযোগীতা পাঠিয়েছি। যা অব্যাহত থাকবে। আমি আমৃত্যু আমার এলাকার জনগনের পাশে থাকতে চাই।

 

ইতিমধ্যে খবর পাওয়া গেছে ভোলা  ইলিশা রাজাপুরের কয়েকটি গ্রাম ডুবে গেছে। ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

উপকূলীয় এলাকা মনপুরা, চর জহিরউদ্দিন, চরকুকরিমুকরির জনগণ উদ্বিগ্ন।

সকলের কাছে দোয়ার আবেদন।

 

মাহদী জাকির ভোলাহঠাৎ করে মেঘনার পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়াই ভোগান্তিতে ভোলাবাসী ।

 

গতকাল হঠাৎ করে মেঘনার পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পায়ওয়াই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভোলার উপকূলে থাকা জনগণের ।

 

কোন পূর্ব প্রস্তুতি না থাকার ফলে ভেরীবাধের বাইরে বসবাসরত মানুষ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়।

রান্না করার চুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারের মানুষ দুপুরের ভাতও রান্না করতে পারেনি। উত্তাল মেঘনার একের পর এক ঢেউয়ের আঘাতে হাকিমুদ্দিন থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত বহু ঘর ভাসিয়ে নিয়েছে মেঘনা।

 

বেশ কিছু স্থান দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে শহর রক্ষা বাধ ,এমনটাই জানিয়েছেন ভোলা ২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলী আজম মুকল। তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে একথা জানিয়েছেন  ।

 

তিনি আরো বলেন সাধারন মমানুষের এই দুঃসময়ে আমি ছুটে গেছি হাকিমুদ্দিন থেকে সৈয়দপুর পর্যন্ত। তখন রাত সাড়ে ১০ টা, যখন বড় মানিকা হয়ে সৈয়দপুরে পৌছি। সচক্ষে অবলোকন করেছি মানুষের দূর্দশা।

 

আজ আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য সাহায্য সহযোগীতা পাঠিয়েছি। যা অব্যাহত থাকবে। আমি আমৃত্যু আমার এলাকার জনগনের পাশে থাকতে চাই।

 

ইতিমধ্যে খবর পাওয়া গেছে ভোলা  ইলিশা রাজাপুরের কয়েকটি গ্রাম ডুবে গেছে। ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

উপকূলীয় এলাকা মনপুরা, চর জহিরউদ্দিন, চরকুকরিমুকরির জনগণ উদ্বিগ্ন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ