তাকওয়া অর্জনই হচ্ছে কুরবানির শিক্ষা : মাও. নাছির উদ্দিন মুনির – জনকল্যাণ২৪

প্রকাশিত: ৪:৩৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১, ২০২০

তাকওয়া অর্জনই হচ্ছে কুরবানির শিক্ষা : মাও. নাছির উদ্দিন মুনির – জনকল্যাণ২৪

আজ ১ আগস্ট (শনিবার) হাটহাজারীর চারিয়ায় পবিত্র ঈদুল আযহার খুৎবা পূর্ববর্তী আলোচনায় হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও কাসেমুল উলুম চারিয়া মাদ্রাসার সাবেক মুহাদ্দিস মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির বলেন,কোরবানির সময়কাল আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য উত্তম সময়। কোরবানির পশু জবেহ করার সঙ্গে বান্দার তাকওয়া অর্জনের সম্পর্ক থাকে। আল্লাহর কাছে উৎসর্গকৃত পশুর রক্ত মাংস কোনো কিছুই পৌঁছায় না। শুধুমাত্র বান্দার তাকওয়া পৌঁছায়।

সমস্ত কাজের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভর করে। লোক দেখানো কোরবানি বা আমল কখনো আল্লাহপাক কবুল করেন না। একমাত্র আল্লাহকে ভয় এবং খুশি করার নিয়তে কোরবানি হলে তা কবুল হয়।

কালামে পাকে বলা হয়েছে, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন, আমার মরণ সবই সারা জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য নিবেদিত। তার কোনো শরীক নেই। (সূরা আনআম, আয়াত: ১৬২-৬৩)

কোরবানির পশুর গোশতের মধ্যে অফুরন্ত কল্যাণ নিহিত রয়েছে। এ গোশত নিজের পরিবার পরিজন আত্মীয়স্বজন অসহায় গরিব মানুষদের মধ্যে বিলি বন্টন করে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ধনীর সম্পদে যেভাবে অসহায় মানুষের অধিকার রয়েছে, অনুরূপ কোরবানির পশুর গোশতেও অসহায় গরিব দুস্থ প্রতিবেশীর অধিকার রয়েছে। পশুর গোশত দুস্থদের মধ্যে বিলি বন্টন করে ধনী গরিবের ঈদ আনন্দ ভাগাভাগী করে গ্রহণ করতে হবে।(আল হাদিস)

কোরবানির পশু জবাই করার মধ্য দিয়ে ত্যাগ ও মহিমার উৎকৃষ্ট উদাহরণ দেখা যায়। সব আবেগ অনুভূতিকে বিসর্জন দিয়ে কোরবানি পালন করতে হয়।

দুনিয়ার সব লোভ লালসা মায়া মমতা ও আমিত্বকে বিসর্জন করে একমাত্র আল্লাহর নৈকট্য প্রেমে কোরবানিকে উৎসর্গ করতে হয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ