ইসলামে কুরবানীর কোন বিকল্প নাই:আল্লামা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী- জনকল্যাণ২৪

প্রকাশিত: ৬:৩৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২০

ইসলামে কুরবানীর কোন বিকল্প নাই:আল্লামা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী- জনকল্যাণ২৪

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি,আওলাদে রাসূল সাঃ আল্লামা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী বলেছেন, ‘ইসলামে কুরবানির কোনও বিকল্প নেই, এটি একটি ধর্মীয় কর্তব্য যা সম্পন্ন করা প্রত্যেক যোগ্য মুসলিমের জন্য আবশ্যক।’ আজ (বুধবার) এনডিটিভিতে ওই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

তিনি বলেন, যার ওপরে কুরবানি ওয়াজিব তাকে যেকোনো অবস্থায় ওই কর্তব্য পালন করা উচিত। কিন্তু করোনাভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী এটা সম্পাদন করতে হবে। তিনি সূর্যোদয়ের ২০ মিনিটের মধ্যে সংক্ষিপ্ত নামাজ ও খুতবা’র পরে কুরবানির কাজ সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি কুরবানির বর্জ্য এমনভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলতে বলেছেন যাতে কোনও দুর্গন্ধ না ছড়ায়।

মাওলানা আরশাদ মাদানী বলেন, ‘বিগত কিছু দিন ধরে গণমাধ্যম এবং বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরবানি সম্পর্কে যে নেতিবাচক এবং বিভ্রান্তিকর প্রচার চলছে। এতে আমাদের গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ‘যে স্থানে কুরবানি হয়ে আসছে এবং বর্তমানে সেই জায়গাতেও যদি বড় পশু কুরবানিতে সমস্যা হয় তাহলে সেখানে অবশ্যই কমপক্ষে ছাগল কুরবানি করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনিক দফতরে তাকে নিবন্ধিত করতে হবে যাতে পরবর্তীতে কোনও সমস্যা সৃষ্টি না হয়। সুতরাং এই সমস্ত বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রেখে ঈদুল আজহার ঐতিহ্য অনুযায়ী অবশ্যই কুরবানি করা উচিত।’

মাওলানা মাদানী চলমান মহামারীকে বিবেচনায় রেখে কুরবানির সময়ে সমস্ত সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি এ ব্যাপারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং পারস্পারিক সংস্পর্শ ও সমাবেশ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তিনি বেশি বেশি করে আল্লাহর কাছে দোয়া করা, তওবা ও ইস্তেগফার করার আবেদন জানিয়েছ জানিয়েছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনের আওতার মধ্যে দ্বীন ও শরীয়ার ওপরে আমল করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানী।

এর আগে, উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের লোনি কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক নন্দকিশোর গুর্জরের বলেছিলেন, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বছর ঈদে পশু কুরবানি দেওয়া উচিত নয়। আর যদি কুরবানি দিতে হয়, তাহলে নিজের সন্তানকে দিন। নিরীহ পশুগুলোকে মারবেন না। একটিও যাতে কুরবানি না হয় সেজন্য তিনি গাজিয়াবাদ প্রশাসনকে জানাবেন বলেও বিধায়ক নন্দকিশোর গুর্জর মন্তব্য করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ