সকল শিক্ষাবোর্ডে প্রয়োজন পেশাদারিত্ব সিস্টেম : আহমদ ফুজায়েল – জনকল্যাণ২৪

প্রকাশিত: ৮:০২ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০

সকল শিক্ষাবোর্ডে প্রয়োজন পেশাদারিত্ব সিস্টেম : আহমদ ফুজায়েল – জনকল্যাণ২৪

চলমান অভিযোগ আর প্রকাশিত গোস্তাকি গুলো পর্যালোচনা করলে একটি খতিয়ান পরিস্কার হয়ে উঠে। আর তা হলো এক ব্যক্তির একাধিক সুযোগ গ্রহণ।

অতীতে আমাদের মুরব্বীয়ানরা মাদরাসা পরিচালনার সাথে খানকা বা শিক্ষাবোর্ড পরিচালনা করতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মূলক প্রস্তুতি নিয়েই চলতেন। তখন তাঁরা বোর্ড থেকে এত বিশাল হাদিয়া বা যাতায়াত ব্যয় হিসাবে লম্বাচওড়া ভাউচার শো করতেননা। যা বোর্ডগুলোর সাবেক হালখাতা বের করলে বা হিসাবের রেকর্ড বুকের পাতা উল্টালে এসবের সুস্পষ্ট প্রমান পাওয়া যায়।
বিষয়গুলো এত লা-ওয়ারিশ হয়েছে নিকট অতীতে। আঞ্চলিক বোর্ড গুলোতে এতো হরিলোট হয়না, যতটুকু হয় জাতীয় পর্যয়ের বোর্ডে। মানে করেন তিনি একজন মুহতামিম। একই সাথে তিনি রাজনৈতিক বা সামাজিক সুপারম্যান। এখন তিনি বলয় রেডিকরে বা আন্দোলন সংগ্রাম কিংবা বাবার ওয়ারিসজাত সাহেবজাদা হিসাবে শিক্ষা বোর্ডেও একটা
চেয়ারের মালিক। তিনি এখন বাদশা আলমগির ভাবমেরে দু’একটা খাদিম -খোদ্দাম সাথে নিয়ে মাদরাসার কাজ, পারিবারিক কাজ, প্রাতিষ্ঠানিক কাজ জমিয়ে বিসমিল্লাহ বলে বোর্ডের মিটিং বা বোর্ড অফিসে আদনা কাজ নিয়ে বের হলেন। দিন শেষে ভাউচার দিলেন নিম্নে ৩টা। মাদরাসার কাজে ১টা, পার্টির কাজে ১টা আর বোর্ড অফিসে ১টা। একই সাথে আপ্যায়ন বিল মিলিয়ে তিনি মাদরাসার নিজের হাফ মাসের বেতনসম ইনকাম নিয়ে রাজকেল্লায় ফিরলেন।
যদিও বিষয় গুলো সকল দায়িত্বশীল পর্যায় সমান নয়, তবে বর্তমানকালে এর অবস্থা দিনদদিন এমনই হচ্ছে।
খোলাসা কালাম: আগামী প্রজন্মকে এসব আপদবিপদ থেকে বাঁচাতে চাই শিক্ষাবোর্ড গুলোতে পেশাদারিত্ব সিস্টেম। অর্থাৎ, প্রতিষ্টান সংস্লিষ্ট কেউ বোর্ডের পদ-পদবীতে থাকবেননা। তাদের দিয়ে একটি তদারকি কমিটি করা যায়। যাথেকরে ফুলটাইম কর্মকর্তা/পেশাদার অফিসারদের নেগরানি করবেন। আর বোর্ডের মালিকানার জন্য ৫-৭সদস্য নিয়ে একটি ট্রাস্টি বোর্ড করাযায়। যারা প্রতি ২/৩ বছর পর বাধ্যতামূলক অবসরে যাবেন।
নাহয় দিনদিন এসব ভাউচার জালিয়াতি বৃদ্ধি পাবে। এবং আমরা পরিচিত হবো এক নিমকহারাম জাতি হিসাবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ