জৈন্তিয়ায় গ্যাস সংযোগ; জৈন্তিয়ার মানুষের অধিকার: এডভোকেট আলতাফ হোসেন

প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২০

জৈন্তিয়ায় গ্যাস সংযোগ; জৈন্তিয়ার মানুষের অধিকার: এডভোকেট আলতাফ হোসেন

বাংলাদেশে মোট গ্যাসক্ষেত্র ২৯ টি। শুধু মাত্র সিলেট বিভাগেই রয়েছে ১১ টি। বাংলাদেশের ২৯ টি গ্যাস কুপের যে তালিকা রয়েছে সেখানে আবিষ্কারের ও উৎপাদনের সাল অনুযায়ী তালিকায় প্রথমেই হরিপুর গ্যাসফিল্ড যা ১৯৫৫ সালে আবিস্কৃত হয়।

২ নং ছাতক ১৯৫৯ সালে, ৩ নং রশিদপুর ১৯৬০ সালে, ৪ নং কৈলাস টিলা ১৯৬২ সালে, ৬ নং হবিগঞ্জ ১৯৬৩ সালে, ১১ নং বিয়ানী বাজার ১৯৮১ সালে, ১৪ নং জালালাবাদ ১৯৮৯ সালে, ১৫ নং ফেঞ্চুগঞ্জ ১৯৮৯ সালে, ২১ নং মৌলভীবাজার ১৯৯৭ সালে, ২২ নং বিবিয়ানা ১৯৯৮ সালে এবং ২৬ নং সুনেত্র ২০১১ সালে আবিস্কৃত হয়। এই ১১ টি গ্যাসক্ষেত্রই উৎপাদনে আছে।

দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র হরিপুর যা সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত।

সরকার নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেযে— গৃহকাজে ব্যবহারে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান করা হবে। সেখানে কেবলই রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রিক গ্যাসের ব্যবহার এর অনুমোদন না দিয়ে যেন জ্বালানী মন্ত্রণালয় সমান ভাবে সব অঞ্চলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংযোগ প্রদানের উপর গুরুত্ব আরোপ করে।

সেই দিক থেকে জৈন্তিয়া বঞ্চিত না হয়। সিলেটের ১১ টি গ্যাসক্ষেত্র থাকা সত্বেও যদি জৈন্তিয়া উপেক্ষিত রাখা হয়, সেটি হবে আরেকটি বড় ধরনের বঞ্চনা। জৈন্তিয়া অঞ্চল হরিপুরের সন্নিকটে হওয়ায় জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট,কানাইঘাট, কোম্পানিগঞ্জ,জকিগন্জের ঐ এলাকাটি গ্যাস সংযোগের আওতায় আসলে সর্বসাধারণ যেমনা উপকৃত হবে এবং পুরো অঞ্চল শিল্পাঞ্চলে পরিনত হবে। এলাকার দারিদ্রতা দূর হবে। ।সব শেষে সিলেটের জৈন্তিয়ার জনগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান ভাইয়ের কাছে ন্যায্য দাবী গ্যাস সংযোগের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

লেখক: এপিপি- সিলেট জজ কোর্ট ও সাবেক এজিএস- এম.সি কলেজ ছাত্র সংসদ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ