করোনা পরিস্থিতি; শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার

প্রকাশিত: ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ২১, ২০২০

করোনা পরিস্থিতি; শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার

করোভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের কিছু কথা:

১. এই করোনা মহামারির দিনগুলো মূলত পরিবারের সাথেই কাটাচ্ছি। দৈনন্দিন ব্যস্ততার ভিড়ে আমারও যে একটি পরিবার আছে সে কথা প্রায় ভুলতেই বসেছিলাম।

এই লকডাউনের দিনগুলো আমাকে আমার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। পৃথিবী নিজেও একটু ছুটিতে বোধ হয়। অনেকটা সময় হল নিজেকেও একটু সময় দেওয়া হচ্ছে না। এখন দিচ্ছি।

আমি চাই, পৃথিবীটা আবার হাসিতে ভরে ওঠুক।পৃথিবী তার সৌন্দর্য ফিরে পাক। পৃথিবীর বুকে মানবজাতি আবার প্রাণভরে শ্বাস নিয়ে ঘুরে বেড়াক। শিঘ্রই আমার ছোট্ট পরিবারকে নিয়ে দূরে কোথাও পাড়ি জমাবে, কিছুদিনের জন্যে। এই পরিবার যে আমার বড্ড আপন। ব্যস্ততা সেটা ভুলিয়ে দিলেও করোনা আমাকে ঠিকই তা মনে করিয়ে দিল।

এই করোনাকালে বাসায় থেকে আবৃত্তি আর আমার পারসোনাল ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করে সময় পার করছি। কীভাবে আমরা সচেতন থাকতে পারি, পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পারি এসব বিষয় মূলত আমার লক্ষ্য।

সুস্থ হয়ে উঠো পৃথিবী। আমাকে আমার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

শিক্ষার্থী, তাহসিনা আলি তাপসী
বিবিএ, আন্তজার্তিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম

২. নিত্যদিনের রুটিন মাফিক ওঠাবসা, চলাফেরা সবকিছু বদলে গেছে। এখন আর ক্লান্ত হয়ে ফেরা হয় না। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার তাড়া নেই ভোরে উঠব বলে। এখন বরং ভোরে ঘুমাইই, উঠবার থাকেনা তাড়া। সব কেমন জানি এলোমেলো হয়ে গেছে। এ অনিয়মের শেষ কোথায়? খুব নিয়ম করে বেড়ে ওঠাও আজকাল কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।কখনও তো ভাবিনি এমন করে বাঁধা পড়ব অনিয়মের শৃঙ্খলে। কে জানে কোথায় গিয়ে থামবে এই নিস্তব্ধতার সুর। সবাই একসাথে আছি তবুও কেমন বিচ্ছিন্ন, বেঁচে থাকতে বন্ধ করে রেখেছি নিজের ঘরের দোর।

শিক্ষার্থী, আসমা সুলতানা
অনার্স ১ম বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ
রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ

৩. করোনাকালের দিনগুলো ঘরে বন্দী অবস্থায় যাচ্ছে। তাই এই বন্দী সময় নিজেকে অন্য কাজে লাগিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি। যেমন, অবসর যখন থাকি তখন ছবি আঁকাআঁকি করি, গল্পের বই পড়ি এবং নাটক ও উপন্যাসের বই ও পড়ি। মাঝে মাঝে কিছু পত্রিকা ও পড়ি। করোনা নিষ্পত্তি হাওয়ায় পর আগামীতে নিজের লক্ষ্য পূরণ করার উদ্দেশ্য।

শিক্ষার্থী, রাহিম মিয়া
এমবিপি কলেজ এন্ড হসপিটাল
প্যারামেডিকেল দ্বিতীয় সেমিস্টার, লালা বাজার, সিলেট।

৪. করোনাভাইরাসের জন্য কলেজ বন্ধ যখন দিয়েছে, তার পর থেকে বাড়িতে পড়া লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন লেখকদের বই-পত্রিকা পড়তেছি।

সামান্য লেখালেখির শখ। থ্রিলার উপন্যাস লেখা শুরু করে মাত্র কয়েকদিন আগে এ উপন্যাস লেখা শেষ হল।

পৃথিবী ঠিকঠাক হলে আশা করি, আগামী ২১ সালের ২১শে বই মেলায় আমার লেখা থ্রিলার উপন্যাসের বই বের হওয়ার কথা রয়েছে।

অন্য সময়ে জাতীয় নিউজ পোর্টালের সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করেছি।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে এই মহামারি থেকে রক্ষা করুন এবং পৃথিবী আবার আগের মতো নতুন করে নিজস্ব সাজে রুপান্তির হোক কামনা করি।

৫.করোনাভাইরাসের জন্য কলেজ বন্ধ যখন দিয়েছে,তার পর থেকে বাড়িতে পড়া লেখার পাশা পাশি বিভিন্ন লেখকদের বই পত্রিকা পড়তেছি।

সামান্যা লেখা লেখির শখ থ্রিলার উপন্যাস লেখা শুরে করে মাত্র কয়েকদিন আগে এ উপন্যাস লেখা শেষ হলো।

 

পৃথিবী টিকটাক হলে আাশা করি, আগামী ২১ সালের, ২১শে গ্রন্থবই মেলায় আমার লেখা থ্রিলার উপন্যাসের বই বের হওয়ার কথা রয়েছে।

অন্য সময়ে জাতীয় নিউজ পোর্টাল পত্রিকার সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করতেছি।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে এই মহামারি থেকে রক্ষা করুন এবং পৃথিবী আবার আগের মতো নতুন করে নিজস্ব সাজে রুপান্তরিত করুন, এই কামনা করি।

শিক্ষার্থী, হাবীব হোসেন

এমবিপি কলেজ এন্ড হসপিটাল

এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটাল, সিলেট, বাংলাদেশ।

 

৬. করোনাকালের দিনগুলো অনেকটাই ঘরবন্দী ভাবেই কাটাচ্ছি। তাই ঘরে বসেই পুরোনো অভ্যাসগুলোকে আবারও জাগিয়ে তুলেছি। ছবি আকাঁ, গান করা, আবৃত্তি, লেখালেখি এগুলোর মধ্য দিয়েই নিজেকে ব্যস্ত রাখছি৷ যাতে করে অস্বস্তি না লাগে৷ আগামী দিনগুলোতেও নিজের ভেতরের সুপ্ত ভাবনাগুলোকে রঙ তুলিতে কিংবা কলমের কালিতে নতুন করে রাঙাতে চাই।

শিক্ষার্থী, আফরোজা আলতাফ বৃষ্টি

ইন্টার ১ম বর্ষ, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা, বাংলাদেশ।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ