সিলেটের জৈন্তাপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা; গ্রেপ্তার হয় নি কোনো আসামি

প্রকাশিত: ৪:৩০ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২০

সিলেটের জৈন্তাপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা; গ্রেপ্তার হয় নি কোনো আসামি

ডেস্ক রিপোর্ট: সিলেটের জৈন্তাপুরে তামাবিল মহাসড়ক থেকে এক কিশোরীকে (১৬) জোরপূর্বক ফিশারিতে নিয়ে গণধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জৈন্তাপুর থানায় তিন যুবকের বিরুদ্ধে হয়েছে মামলা।

মামলার আসামিরা হলেন-জৈন্তাপুর উপজেলার আগফৌদ পাঁচসেউতি গ্রামের বারাম লন্ডনীর ছেলে শাহীন আহমদ (৩০), সারীঘাট ঢুপি গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে ফয়জুল হক (৩৫) এবং নয়াখেল গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে তৈয়ব আলী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে গাড়ির অপেক্ষা করছিল কিশোরী। এই সময় অভিযুক্ত তিনজন তাকে কাপড় ও টাকার লোভ দেখায়। মেয়েটি তাদের সাথে যেতে না চাইলে তারা জোর করে তাকে একটি অটোরিকশায় তোলে নয়াখেল আগফৌদ গ্রামের হাওরে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ফিশারির টিনশেড ঘরে কিশোরীকে গণধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। তার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোক এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

এক সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করে। তার গ্রামের বাড়ি কানাইঘাট।

জৈন্তাপুর থানার ওসি শ্যামল বণিক জানান, এ ঘটনায় বুধবার থানায় মামলা হয়েছে।

জৈন্তাপুরের মতো ইসলাম প্রিয় একটি এলাকায় এরকম ন্যক্কারজনক ঘটনায় তাওহিদী জনতার মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এরকম নিন্দনীয় কাজ সচরাচর বৃহত্তর জৈন্তা এলাকায় হয় না। এ অঞ্চলের মানুষ অত্যন্ত ভদ্র এবং ধর্মপরায়ণ। এলাকাবাসী এমন ঘটনার পর দুশ্চিন্তায় ভোগছেন। নিজেদের এলাকার ঐতিহ্যের দাফন দিয়ে নতুন করে দুর্নীতি আর অশ্লীলতার আগমন ঘটছে বলে ধারণা করছেন। তিন/চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয় নি, এ নিয়ে জনসাধারণের মনে হতাশা বিরাজ করছে।

জৈন্তার তরুণদের পক্ষ থেকে সতের পরগনার শালিস কমিটি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসামীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে বলা হয়, এরকম ঘৃণ্য কাজের শিকার যাতে আগামীতে আমরা না হই সে ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ