বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা বলছে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত: ১২:৫১ অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০২০

বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা বলছে শিক্ষার্থীরা

হাবিব হোসেন দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ-

১.মিদহাদ আহমদ,দ্বাদশ শ্রেণি

জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, জালালাবাদ সেনানিবাস সিলেট।

বেশ কিছুদিন হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। প্রথম প্রথম ভালো লেগেছে এই ভেবে যে, কলেজে যাওয়া লাগবে না। রোজ সকাল ৭ টায় ঘুম থেকে উঠে দৌড় দেওয়া লাগবে না কলেজের জন্য। কিন্তু এখন বাসায় থাকতে থাকতে কেমন যেনো হাঁপিয়ে গিয়েছি। এপ্রিলে আমাদের এইচ এস সি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিলো । এর দিন পনেরো আগেই স্কুল-কলেজ সব বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরীক্ষার আগে পড়াশোনায় একটা সিরিয়াসনেস ছিলো। এখন বিশাল এক গ্যাপ হয়ে যাওয়ায় সেই সিরিয়াসনেসটা আর নেই বললেই চলে। তবে হোম টিউটররা অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। নিয়মিত খোঁজ-খবর নিচ্ছেন পড়াশোনার। তবুও যে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে পড়াশোনার একটা গতিশীলতা ছিলো সেইটা এখন স্থবির। তবুও আমরা সব শিক্ষার্থীরা চেষ্টা করবো এই যে, যতটুকু সম্ভব নিজের প্রচেষ্টায় এই চাকাটাকে সচল রাখা। বর্তমান বিশ্বে করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত ঘরে বসে নিজে সেইফ থাকা। এখন এই সঙ্কটকালে জীবনের অন্যতম একটা উদ্দেশ্যই হলো বেঁচে থাকা। এই বেঁচে থাকাটা শুদ্ধভাবে পালন করি, আর সাথে পড়াশোনাটাও।

২.সাবিরা মারিয়াম
দশম শ্রেণি
পটুয়াখালী ওয়ায়েজীয়া কামিল মাদ্রাসা, পটুয়াখালী।

শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি মনযোগ দিয়ে পড়াশোনা না করলেও পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেলে একটু বেশিই কষ্ট লাগে। পরীক্ষার ভয় কাজ করলেও পরীক্ষা দিতে উপস্থিত হওয়ার মধ্যেও একটা আনন্দ কাজ করে। ভাবতে কষ্ট লাগছে একটা বছর জীবন থেকে মুছে ফেলতে হবে। কিন্তু একটা বছর জীবন থেকে মুছলে বেঁচে থাকলে পরবর্তী বছরে জীবনের মোড় ঘোরানোর সুযোগ থাকবে। কিন্তু,
একটা বছর মিস করবো কেন! এটা বলে যদি ঘরের বাইরে নেমে মহামারীর কবলে পড়ি তাহলে বেঁচে থাকাটাই অনিশ্চিত। যদিও পড়াশোনা চলছে না বললেই হয়। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে আল্লাহর রহমতে মহামারী কেটে গেলেই এসএসসি পরীক্ষার ঘন্টা বাজবে এটা ভাবতেই ভয় করছে।নিজ থেকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলেও আগানো হয়না। এতগুলো সাবজেক্ট! সিলেবাস অনেকটা বাকী। চিন্তা হয় সব সাবজেক্ট শেষ করা সম্ভব তো!
তারপরেও প্রযুক্তির যুগ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ মানেই পড়ালেখা বন্ধ না। উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করছি।
এভাবেই আমার মতো যারা শিক্ষার্থী তাদের উচিত ঘরে থেকেই প্রস্তুতি নেয়া। বের হওয়া যাবেনা কারণ বেঁচে থাকি, সুস্থ থাকি আর জীবনের মোড় ঘোরানোর জন্য সুদিনের অপেক্ষা করি।
৩.সালাউদ্দিন শাহরিয়া
কম্পিউটার ডিপার্টমেন্ট, ৩য় বর্ষ এসপিটিআই, সিলেট।

লক ডাউনের কারণে ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা হচ্ছে না। যার কারণে আমাদের দুই বছর থাকতে হচ্ছে ৩য় বর্ষে। তবে লক ডাউনে যে আমার ক্ষতি হয়েছে তা কিন্তু নয়। আমার ক্ষতির চেয়েও লাভ হয়েছে বেশি। এই লক ডাউনে আমি একটি উপন্যাস লিখতে পেরেছি। স্কিল ডেপেলপমেন্ট এর জন্য প্রোগ্রামিংয়ে সময় দিয়েছি বেশি। ক্যাম্পাস খোলা থাকলে দেখা যেত ক্লাস টেস্ট, এসাইনমেন্ট আর ফাইনাল সেমিষ্টার এক্সামের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে তেমন সময় দেওয়া যেতো না। আমি ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখার পাশাপাশি প্রোগ্রামিংয়ে সময় দিচ্ছি। যাতে পৃথিবী থেকে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর মহারমারী শেষ হলেই আগের মতো ক্যাম্পাসে যেতে পারি। এবং নিজের স্কীল ডেভেলপমেন্ট কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজেক্ট প্রেজেন্ট করে ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগাতে পারি। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে এই মহামারি থেকে রক্ষা করুন এবং পৃথিবী আবার আগের মতো নতুন করে নিজস্ব সাজে রুপান্তির হোক এই কামনা।
৩.হাবীব হোসেন
মেডিক্যাল ২য় বর্ষ-২য় সেমিস্টার
এম বি পি কলেজ এন্ড হসপিটাল
এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল এন্ড কলেজ
আমি একজন্য শিক্ষার্থীর হিসেবে বলার আছে সামান্য। শিক্ষা জীবনে যে আঘাত পড়েছে ভবিষ্যতে তা কতটুকু কেটে উঠবে তা নিয়ে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি অনেকের মতো আমিও উদ্বিগ্ন। আমাদের সরকার শুরুতেই ভূল করে ফেলেছেন। প্রথম যখন চিনের উহান শহর থেকে এই ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল তখনই আমাদের আরো সতর্ক হওয়া উচিত ছিলো। সরকার এ ভাইরাসের কোনো পদক্ষেপ পদ্ধতি যদি প্রথম থেকে নিতো তবে আমি মনে করি আমাদের দেশে করোনা নামের মহামারী রোগ ডুকতে পারতো না।

বিদেশে কর্মরত প্রবাসীরা দেশে আসতে শুরু করলো এ ভাইরাস বিস্তার শুনে। বাংলাদেশর প্রতিটি জেলার বিমানবন্দর গুলোতে যদি তাদের কে বিমানবন্দর থেকে বের হতেই কুয়ারেনটাইনে নিয়ে যাওয়া ব্যবস্থা যদি করতো প্রথমে শক্ত ভাবে আইন প্রয়োগ করা হতো তাহলে আজকে আমাদের দেশের অবস্থা এমন হতনা। এখন স্কুল -কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের জীবনে এক ঘোর অন্ধকার বিরাজ করছে। কেউ নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছেন না যে এই অমানিশা কখন কাটবে ? এ যেন এক মহাসমুদ্রের মাঝে নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও সাঁতার কাটার মতো অবস্থা।

এদিকে স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্যে যে অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তা শহরের কিছু শিক্ষার্থীরা দেখতে পারলেও গ্রামের শিক্ষার্থীরা এটা দেখতে পারছেন না। গ্রামের অনেক শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন নেই কিংবা ইন্টারনেটের ব্যবস্থা নেই। কাজেই তারা এটা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এইচ এস সি এবং আলিম পরীক্ষার্থীরা খুবি টেনশনে আছে। একদিকে পরীক্ষা হচ্ছেনা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি ও নিতে পারছেনা। এছাড়া এখন স্কুল – কলেজ মেডিক্যাল কলেজ খুললে এটা ব্যাপক ভাবে শিক্ষার্থীদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলবে। কারন সংক্রমণের হার দিন দিন যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা আমাদেরকে ভিত করে তুলছে। এখন সরকারের একমাত্র কাজ হচ্ছে দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। এখন সময় কারফিউ জারি করা। নতুবা লক্ষ – লক্ষ শিক্ষার্থীর জীবন হবে আরও বেশি হুমকির সম্মুখীন। ভবিষ্যৎ হবে আমাদের অন্ধকার। কাজেই এটি নিয়ে এখনই ভাবার উচিত সময়।
আমরা যারা মোটামোটি শিক্ষিত আমাদের উচিৎ। আমাদের আশে পাশে মাক্স ছাড়া যারা চলা ফেরা করতে আছে । কসামাজা দূরত্ব বজায় রেখে তাদেরকে এ বিষয় কঠোর সচেতন করাও নিজ দায়িত্বে পরিবারের প্রতিটি সদস্য কে সচেতন রাখা এবং করোনাভাইরাস যতদিন ঘরে থাকুন ততদিন।

৪.শাকিল আহমদে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সরাইল,অরুয়াইল

আসসালামু ওয়ালাইকুম,বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা পৃথিবী এখন থমকে আছে। ঠিক তেমনি ভাবে আমাদের পড়াশোনাও থমকে আছে। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটা সুন্দর পৃথীবির সপ্ন আমরা সবাই দেখি। আমাদের প্রত্যকের একটাই চাওয়া ঘুম থেকে উটে যেন এরকম বিষন্নতার দিনগুলো দেখতে না হয়।

অফিস, আদালত,গার্মেন্টসের পাশাপাশি আমাদের স্কুল কলেজও বন্ধ। সেজন্য আমাদের লেখাপড়ার বিঘ্ন ঘটতেছে। আমি একজন ছাত্র হয়ে তা খুব জোড়ালো ভাবে উপলদ্ধি করতে পারছি যে আমার পড়াশোনার কতটা ক্ষতি হচ্ছে। আমি অর্নাস প্রথম বর্ষের একজন ছাত্র। ভর্তির হওয়ার পর কয়েকমাস ক্লাস করার পরই লকডাউন দিয়ে দেওয়া হয়। এরকম অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হবে। আমাদের সেমিস্টার পরীক্ষা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছে।

সরকার যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয় তাহলে আমরা আরো বড় ধরনের বিপদে পড়তে পারি। অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে কিছুটা হলেও উপকৃত হচ্ছি। তবুও যেন সরাসরি ক্লাস না করে তৃপ্তি পাচ্ছি না। আমি আমার ক্ষুদ্র একটা মত প্রকাশ করতে চাচ্ছি। আমার মতে যথেষ্ট দূরুত্ব বজায় রেখে ক্লাস শুরু করা হোক। এমনও হতে পারে ভাইরাস প্রতিষেধক বের হতে সময় লাগবে অনেক।আর তা আমরা মোকাবেলা করেই সামনের পথচলা চলতে হবে।
তাই যদি ক্লাস শুরু করা হয় তাহলে এক টেবিলে একজন শিক্ষার্থী এবং প্রয়োজন হলে সাপ্তাহে একবার ক্লাস নেওয়া হোক। সকল শিক্ষার্থী এভাবে ক্লাসরুমে জায়গা দেওয়া সম্ভব না। তাই ধাপে ধাপে সাপ্তাহে একদিন একটি ছাত্রকে ক্লাস করার সুযোগ দেওয়া হোক।
তাহলে হয়তো পুরোপুরি পড়াশোনা না হলেও কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
শিক্ষকগন যদি আমাদের বাড়ির কাজের পরিমান বাড়িয়ে দেয় আর আমরা তা ভালো করে রেসপন্স দেয় তাহলে আমরা বেশ উপকৃত হবো।

সরকারের সকল সিদ্ধান্ত বেশ প্রশংসনীয়। তবুও আমাদের শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে এমন সিদ্ধান্ত নিলে মন্দ হয় না। ভাইরাসকে আমরা মোকাবেলা করেই চলতে হবে।

যার যার জায়গা থেকে আমাদের সর্বোচ্ছটা দিয়ে চেষ্টা করতে হবে। এরকম পরিস্থিতিতে আমরা সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখবো। সচেতনার উপর ঔষধ নাই সে কথাটাও মাথায় রাখতে হবে।
অনেক কিছু বলে ফেললাম,ভুল ক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ধন্যবাদ

৫.সালাউদ্দিন শাহরিয়া
কম্পিউটার ডিপার্টমেন্ট, ৩য় বর্ষ এসপিটিআই, সিলেট।

লক ডাউনের কারণে ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা হচ্ছে না। যার কারণে আমাদের দুই বছর থাকতে হচ্ছে ৩য় বর্ষে। তবে লক ডাউনে যে আমার ক্ষতি হয়েছে তা কিন্তু নয়। আমার ক্ষতির চেয়েও লাভ হয়েছে বেশি। এই লক ডাউনে আমি একটি উপন্যাস লিখতে পেরেছি। স্কিল ডেপেলপমেন্ট এর জন্য প্রোগ্রামিংয়ে সময় দিয়েছি বেশি। ক্যাম্পাস খোলা থাকলে দেখা যেত ক্লাস টেস্ট, এসাইনমেন্ট আর ফাইনাল সেমিষ্টার এক্সামের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে তেমন সময় দেওয়া যেতো না। আমি ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখার পাশাপাশি প্রোগ্রামিংয়ে সময় দিচ্ছি। যাতে পৃথিবী থেকে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর মহারমারী শেষ হলেই আগের মতো ক্যাম্পাসে যেতে পারি। এবং নিজের স্কীল ডেভেলপমেন্ট কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজেক্ট প্রেজেন্ট করে ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগাতে পারি। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে এই মহামারি থেকে রক্ষা করুন এবং পৃথিবী আবার আগের মতো নতুন করে নিজস্ব সাজে রুপান্তির হোক এই কামনা।

৬.মোঃ মারুফ আহমেদ
দ্বাদশ শ্রেণী
মদন মোহন সরকারি কলেজ, সিলেট।
করোনা মহামারির কারনে স্থির হয়ে পড়েছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা।গত ১৭ই মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এবং স্তগিত হয়ে পড়ে আমাদের এইচএসসি পরীক্ষা ও।।
যখন প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আমরা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত ঠিক সেই মুহূর্তেই আমাদের পরিক্ষা স্তগিত হয়ে পড়ে এবং দীর্ঘদিনের এই গ্যাপ আমাদের মতো পরীক্ষার্থীদের হীনম্মণ্যতায় ভোগাচ্ছে এবং দিনে দিনে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ টা কমে যাচ্ছে।
তবে হুম টিউটররা অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। কিন্তু সবার এন্ড্রয়েড মোবাইল বা নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ভালো না থাকায় সবাই সেই সুযোগ পাচ্ছেনা।
এছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে পড়াশোনার যে গতিশীলতা ছিলো সেটা স্তবির।
করোনা ভাইরাস বর্তমান সময়ে যে মহামারি আকার ধারন করেছে এই মুহূর্তে আমাদের স্কুল কলেজ খুলে দেওয়াটা ও একদম ঠিক হবেনা।
তাই আমি প্রত্যেক শিক্ষার্থী ভাই বোনদেরকে বলব সবাই যেন নিয়মিত পড়ালেখা চালিয়ে যান। এবং আমরা যারা এইচএসসি পরিক্ষার্থী আছি সবাই যাতে নিয়মিত পড়ালেখা করি এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি সঠিকভাবে নেই
সাথে সাথে আমাদের পরিক্ষা পরবর্তী ভর্তি পরীক্ষার জন্য ও যাতে এখন থেকে প্রস্তুতি নেই।।
এবং সবাই যাতে ঘরে থাকি সুস্থ থাকি নিরাপদ থাকি।।